রবিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০১:২৭ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি :
Welcome To Our Website...

বিএনপি নেতার অনুরোধের পরই সড়ক বন্ধ করল পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২২
  • ৮১ বার পঠিত

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকার ব্যর্থ হয়েছে মন্তব্য করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, সরকারের বিদায় ঘণ্টা বেজে গেছে। তারা চলে যাবে। কিন্তু আপনারা থাকবেন। সুতরাং আপনারা জনগণের সঙ্গে থাকুন।

মঙ্গলবার বিকালে রাজধানীর নয়াপল্টনে এক প্রতিবাদ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে এ সমাবেশ শুরু হয়।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, সিনিয়র নেতা আবদুস সালাম, রুহুল কবির রিজভীসহ নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে এ সমাবেশের আয়োজন করে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি।

ঢাকা উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমানের সভাপতিত্বে ও ঢাকা উত্তর বিএনপির সদস্য সচিব আমিনুল হক ও দক্ষিণ বিএনপির সদস্য সচিব রফিকুল আলম মজনুর পরিচালনায় আরও বক্তব্য দেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টুসহ অঙ্গসংগঠনের নেতারা।

সমাবেশের শুরুর আগেই দুপুর থেকে বিএনপির অঙ্গ-সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মীরা নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ের সামনে জড়ো হতে থাকেন। তারা বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ সব গ্রেফতার হওয়া নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন।

বেলা দুইটায় সমাবেশ শুরু পরপরই নয়াপল্টন কার্যালয়েরে সামনের এক পাশের সড়ক যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। তবে উত্তর পাশের সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক ছিল। এ কারনে নয়াপল্টন ও আশপেশে এলাকায় তীব্র যাজটের সৃষ্টি হয়।

এদিকে সকাল থেকেই কাকরাইলের নাইটিঙ্গেল মোড় এবং পল্টন মডেল থানার উল্টো দিকের সড়কে সাঁজোয়া যান রাখা হয়। সমাবেশ মঞ্চের পশ্চিম ও উত্তর পাশের ফুটপাতে বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।

এর আগে ১০ ডিসেম্বর ঢাকা বিভাগীয় বিএনপির গণসমাবেশে ১৩ ডিসেম্বর ঢাকাসহ বিভাগীয় ও মহানগরে বিক্ষোভ মিছিলের কর্মসূচি ঘোষণা করেন দলটির সিনিয়র স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

এদিকে প্রতিবাদ সমাবেশকে ঘিরে বিএনপির কার্যালয়ের সামনের রাস্তার এক পাশে নাইটিংগেল—ফকিরাপুলের মোড় বন্ধ ছিল। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে কঠোর অবস্থানে ছিলেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

বেলা দুইটায় সমাবেশ শুরুর আগে একপাশের রাস্তা (নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনের সড়ক) বন্ধ করে দিতে মঞ্চ থেকে পুলিশকে অনুরোধ জানান ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্যসচিব রফিকুল আলম। বিএনপি নেতার এমন অনুরোধের ১০ মিনিট পরই দক্ষিণ পাশের সড়ক যান চলাচলের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়। তবে উত্তর পাশের সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক ছিল।

তবে বেলা আড়াইটা থেকে উত্তর পাশের সড়ক হয়েও গাড়ি চলাচলের গতি কমতে থাকে। এর কারণ ঢাকার বিভিন্ন ইউনিট থেকে মিছিল নিয়ে আসা নেতা–কর্মীরা নাইটিঙ্গেল মোড়ের উত্তর পাশের সড়ক হয়ে সমাবেশস্থলের দিকে আসছেন। এতেই এই সড়কে কিছুক্ষণ পরপর তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, নয়াপল্টনের রাস্তায় সমাবেশ কর্মসূচির কারণে এর প্রভাব পড়েছে আশপাশের সড়কেও। পুরানা পল্টন মোড়ে থেকে নাইটিঙ্গেলমুখী সড়ক, দৈনিক বাংলা মোড় থেকে ফকিরাপুলমুখী সড়কে বেলা আড়াইটা থেকেই ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। যানবাহন চলাচলে বেশ ধীরগতির কারণে অনেক যাত্রীকে বাস থেকে নেমে হেঁটে নিজ নিজ গন্তব্যে যেতে দেখা যায়।

অথচ রাস্তায় সমাবেশ করলে যানজটের সৃষ্টি হয়, এতে মানুষের ব্যাপক দুর্ভোগ হয়, এ জন্য ১০ ডিসেম্বর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনের সড়কে বিএনপিকে গণসমাবেশ করতে দেওয়া হয়নি। তবে আজ প্রতিবাদ সমাবেশ করতে বিএনপিকে অনুমতি দিয়েছে পুলিশ।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Developed By Deshjog TV