রবিবার, ১৯ মে ২০২৪, ০৮:১৭ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি :
Welcome To Our Website...
শিরোনাম :
আসাদুজ্জামান আসাদের যত ‘অপকর্ম’ শ্রীপুরে দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাবেক ছাত্র নেতা মিজানুর রহমান মাগুরাবাসিকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন কাজী রফিকুল ইসলাম মাগুরাবাসিকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মাগুরা জেলা যুবলীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক আলী আহম্মদ পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মাগুরা জেলা যুবলীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক সাকিব পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন শরিয়ত উল্লাহ বঙ্গবন্ধু ল’টেম্পল কলেজের শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল প্রাথমিক শিক্ষকদের অনলাইন বদলি আবেদন শুরু শনিবার চট্টগ্রামে ১০ জুয়াড়ি গ্রেফতার

সন্তানদের সময় দিতে সরকারি চাকরি ছাড়লেন ‘মা‘

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২ এপ্রিল, ২০২২
  • ৪৯৬ বার পঠিত

সরকারি চাকরি মানেই সোনার হরিণ। সেই চাকরি যদি হয় বিসিএস ক্যাডার, তাহলে তো সোনায় সোহাগা। জীবনের একটি ভালো অবস্থান, চাকচিক্য ও বিলাসী জীবনের প্রত্যাশা কার না আছে! কেউ কেউ এমন আছেন, কোনো মোহই যাকে গ্রাস করতে পারে না। সন্তানদের প্রতি মায়ের ভালোবাসার কাছে এবার হার মানল সরকারি চাকরি।

এমনি এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন ময়মনসিংহের গৌরীপুর সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা জান্নাত ই হুর (সেতু)। পেশাগত জীবনে সাফল্যের চূড়ান্ত অবস্থানে এসেও তিনি তৃপ্ত ছিলেন না, মন চাইছিল অন্য কিছু। অধরা পথকেই অবশেষে বেছে নিলেন তিনি। গত বৃহস্পতিবার ১০ বছরের কর্মজীবনের ইস্তফা দিয়ে ফিরে গেলেন সংসারের মায়াজালে। সন্তানদের আরও বেশি সময় দিতেই এমন সিদ্ধান্ত বলে জানান তিনি। ব্যক্তিজীবনে তিন কন্যাসন্তানের জননী জান্নাত। স্বামী সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সানোয়ার রাসেল ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলায় কর্মরত।

জানা যায়, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ময়মনসিংহ থেকে ২০১১ সালে তিনি মাস্টার্স শেষ করেন। একই বছর ২৯তম বিসিএস ক্যাডার হিসেবে উত্তীর্ণ হন জান্নাত ই হুর (সেতু)। সে বছরই বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন সহপাঠী সানোয়ার রাসেলের সঙ্গে।

জামালপুর জেলার ইসলামপুর উপজেলায় বাংলাদেশ মৎস্য অধিদপ্তরে কর্মজীবন শুরু করেন তিনি। ২০১৫ সালে বদলি হয়ে সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন ময়মনসিংহের গৌরীপুরে। তিনি শেরপুর জেলার শ্রীবর্দী উপজেলার রাণীশিমুল গ্রামের মো. জাহাঙ্গীর আলমের মেয়ে।

জান্নাত ই হুর সেতু জানান, স্বামী-স্ত্রী দুজনই সরকারি চাকরি করেন। পেশাগত কারণে খুব ব্যস্ত সময় পার করতে হয় তাঁদের। এদিকে সন্তানেরা বাবা-মায়ের স্নেহ-মমতা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। ওদের স্বাভাবিক বেড়ে ওঠার ক্ষেত্রে বিরূপ প্রভাব পড়ছে জীবনে। নানান দিক চিন্তা করেই তিনি চাকরি ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। গত জানুয়ারিতে তিনি আবেদন করেছেন সরকারের কাছে, গতকালও আনুষ্ঠানিক অনুমোদন পাননি। তবে আজ থেকে তা কার্যকর হওয়ার কথা। তাই তিনি গতকাল বৃহস্পতিবার কর্মস্থলে সহকর্মীদের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক বিদায় নিয়েছেন।

এদিকে কর্মজীবনের ইস্তফা ও নতুন জীবন শুরুর দিনটিকে স্বাগত জানিয়েছে তাঁর তিন সন্তান ও পরিবারের লোকজন। তারা বাসা বেলুন দিয়ে সাজিয়ে, ফুলের তোড়া ও কেক কেটে বরণ করে নিয়েছে জান্নাত ই হুর সেতুকে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Developed By Bangla Webs